পাবনা জেলা বিএনপির বর্তমান সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও তৃণমূলের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে যারা দলের পাশে থেকেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলকে শক্তিশালী করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন—দল পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন এখন সময়ের দাবি। বর্তমান কমিটি যদি প্রত্যাশিত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়ে থাকে, তাহলে দলের বৃহত্তর স্বার্থে সেই কমিটি পরিবর্তন করে পরীক্ষিত, গ্রহণযোগ্য ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতৃত্বের হাতে পাবনা জেলা বিএনপির দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটে আমরা পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, পাবনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনাব সিরাজুল ইসলাম সরদারকে পুনরায় পাবনা জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই। সিরাজুল ইসলাম সরদার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অধিকারী। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে।
তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয় করে দলকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করার ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমরা মনে করি। আমাদের প্রত্যাশা—পাবনা জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নির্ধারণে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে ত্যাগ, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, জনপ্রিয়তা এবং তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।পাবনা জেলা বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও আন্দোলনমুখী করতে প্রয়োজন যোগ্য নেতৃত্বের। তাই দলের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান—ব্যর্থ ও অকার্যকর কমিটি পরিবর্তন করে তৃণমূলের প্রত্যাশা ও দলের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম সরদারকে পুনরায় পাবনা জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করুন। তৃণমূলের দাবি—যোগ্য নেতৃত্বের মূল্যায়ন চাই। পাবনা জেলা বিএনপিতে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব গড়তে সিরাজুল ইসলাম সরদারকে পুনরায় জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই।
==পাবনা জেলার তৃণমূল বিএনপি নেতা-কর্মীবৃন্দ==
#তৃণমূলের_দাবি





0 Comments